ব্যাপক এই শ্রমিক অসন্তোষ ও নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের অব্যাহত বিক্ষোভের মুখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঝুঁকি এড়াতে দেড় শতাধিক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সে জন্য গাজীপুর জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, শিল্প পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যরা একযোগে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। যৌথ বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শান্ত হতে শুরু করে।
এদিকে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, ‘সকালের দিকে মূল কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ শেষে নিজ নিজ ঘরে ফিরে গেছেন। তবে বর্তমান সময়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে যারা নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের অনেকেই প্রকৃত শ্রমিক নয়; বরং তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতে পারেন।’
‘এরপরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত ও তৎপর প্রচেষ্টার ফলে বেলা ১টার পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে,’ বলেন তিনি।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেন।

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান দৈনিক মিলতে পারে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, জেলাজুড়ে আটক ৫৭
আগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ