সাজু শেখ ও নূরজাহান দম্পতির তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই। তারা মাঝেমধ্যে মা-বাবার খোঁজ নেন। তিন ছেলের একজন করোনা মহামারির সময় নিখোঁজ হন। আরেক ছেলে ঢাকায় রিকশা চালান। বছরে এক-দুবার বাড়িতে আসেন। শেরপুরে থাকা ছোট ছেলে নূর ইসলাম দিনমজুরি করেন, ঠেলাগাড়িও চালান। কয়েক বছর আগে তার স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে মারা গেছেন। তার তিন মেয়ে। নিজের সংসার চালাতেই তাকে হিমশিম খেতে হয়।
দীর্ঘ ৭০ বছরের দাম্পত্য জীবনে সুখ-দুঃখ, অভাব-অনটন আর সংগ্রামে একে অপরের সঙ্গী ছিলেন সাজু শেখ ও নূরজাহান বেগম। জীবনের শেষ দিনগুলোতে অসুস্থ স্ত্রীর পাশে ছিলেন সাজু। এখন সেই সঙ্গীকে হারিয়ে তার বাকি দিনগুলো কীভাবে কাটবে, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘নূরজাহান বেগমের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারটির সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থানের জন্য দেওয়া হয়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের অনেক সহৃদয়বান মানুষ পরিবারটির সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন।’

অপরাধী যত ক্ষমতাশালীই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : আইজিপি
‘শাহজালাল বিমানবন্দরে সিসিটিভি ও এলইডি স্ক্রিন স্থাপনের ফলে লাগেজ ভোগান্তি কমেছে’
প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে শেষ রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী