ট্রাম্প বলেন, ইরানের জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোই সবচেয়ে ভালো পথ। তার ভাষায়, “তারা যদি চুক্তিতে না আসে, তাহলে তাদের খুব কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, শুধু ওয়াশিংটনের নয়, তেহরানেরও আলোচনায় আগ্রহী হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে আলোচনার বার্তা পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে ইরান। তবে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহ ও অবিশ্বাস প্রকাশ করেছে তেহরান। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা ও মনস্তাত্ত্বিক চাপের লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান অচলাবস্থা নিরসনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেকোনো সময় বড় ধরনের সামরিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমনকি নতুন করে বৃহৎ পরিসরের সামরিক হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এ লক্ষ্যে ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টারা সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের একটি খসড়া পরিকল্পনাও প্রস্তুত রেখেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র দুবার ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল। ফলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সূত্র: আল জাজিরা, নিউ ইয়র্ক টাইমস
