নিখোঁজ এক কিশোরীর মা জানান, পরিবারের জানা মতে তাদের কারও কাছে কোনো মোবাইল ফোন থাকার কথা ছিল না। তবে যে অটোরিকশায় করে তারা চকরিয়া গিয়েছিল, সেই চালক পরিবারকে জানিয়েছেন যে কিশোরীদের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন দেখতে পেয়েছিলেন তিনি। বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি ও সম্ভাব্য স্থানে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তাদের হদিস না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশের শরণাপন্ন হন অভিভাবকেরা।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী চকরিয়া বাসস্ট্যান্ডে মুঠোফোনসহ ওই তিন কিশোরীকে অবস্থান করতে দেখেছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী। তবে সেখান থেকে তারা কোন দিকে রওনা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কিশোরীরা চকরিয়া কিংবা পর্যটন শহর কক্সবাজারের কোথাও থাকতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
ওসি আরও উল্লেখ করেন, কিশোরীদের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত ও নিরাপদে উদ্ধারের লক্ষ্যে চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও সম্ভাব্য স্থানগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে পুলিশ। তাদের উদ্ধারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

রাতভর চলত ‘ডিজে পার্টি ও মাদক সেবন’, নিজের পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজির সাফাই
ধর্ম পরিচয়ে বিভাজন নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশী: চট্টগ্রাম পুজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী
গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, চেয়ারম্যানসহ আহত ১৫