দুদকের অভিযোগে বলা হচ্ছে, পি কে হালদার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকাকালে ভুয়া ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন। এসব ঘটনায় কমিশন এখন পর্যন্ত ৬৭টির মতো মামলা করেছে। মামলাগুলোয় প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির তথ্য পাওয়া গেছে বলে দুদক জানিয়েছে।
২০২২ সালের ১১ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হন পি কে হালদার। দেশে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলার বিচার চলছে। এর আগে ২০২৩ সালে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পি কে হালদারকে ২২ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।

জাল সনদে চাকরিতে ঢুকে নজরুল এখন ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ
সার্বিয়ায় কর্মী পাঠানোর ছাড়পত্রে বিএমইটির তাজিম-উর-রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলের সাবেক কানুনগো খলিলুরের বিরুদ্ধে ঘুষ ও আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ