তিনি বিবৃতিতে বলেন, যথাযথ পুনর্বাসন ও পুনর্সংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিবর্তে, কর্তৃপক্ষ অনেক পরিবারকে বাস্তুচ্যুত ও অসহায় অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে। এমনকি কিছু পরিবারকে আটক কেন্দ্রে (ডিটেইনশন সেন্টার) রাখা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। এই সাম্প্রতিক অভিযানটি ভারতে বাঙালি মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও নিপীড়নের একটি উদ্বেগজনক ধারার অংশ, যা মূলত হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির দ্বারা পরিচালিত। গত এক দশকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানা গেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে, ভারতের বাঙালি মুসলিমরা দমন-পীড়ন, জোরপূর্বক বহিষ্কার এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হয়ে আসছেন। এই ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, বর্তমান সরকার মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং এমন সব পদক্ষেপ কার্যকর করছে, যা তাদের অধিকার ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এটি ১৯৯২ সালে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সেই বেআইনি ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়— যে ঘটনাটি আজও ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের এক স্থায়ী প্রতীক হয়ে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদের অধীনে, ভারত তার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়— যার মধ্যে মুসলিম, খ্রিষ্টান, শিখ এবং নিম্নবর্ণের হিন্দুরা অন্তর্ভুক্ত— তাদের সুরক্ষা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা মুসলিমদের ওপর চালানো এই পরিকল্পিত নিপীড়নের বিষয়টি অবিলম্বে আমলে নেয়।
নাহিদ ইসলাম বলেন, মানবাধিকারের এই গুরুতর লঙ্ঘন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের জন্য ভারত সরকারকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। জাতি, ধর্ম বা সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্বিশেষে ভারতের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও সমতার নীতি সমুন্নত রাখা তাদের দায়িত্ব। ভারতের মুসলিমরাও ভারতীয়।

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রীয় মদদে সাজানো ছিল: হাসনাত আব্দুল্লাহ
বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকেন: রাশেদ খান
দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম এত সুন্দর পূজা উদযাপন হয়েছে: রাশেদ খাঁন