হেদায়েতুল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, ছেলের পরামর্শে মসজিদের ইমামতির চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পরে কোনো টাকা পাননি।
মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘পড়াইয়া তারে আজকে মাওলানা বানাইছি, হাফেজ বানাইছি। সে অস্বীকার যায়, আমি বলে তারে পড়াইছি না। এরপরে তার আরেকটা কথা, সে ছোট সময় তার প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেছিল।পরে মানুষের কাছে ভিক্ষা কইরা কইরা, টাকা চাইয়া চাইয়া; আমি তো টাকা অল্প টাকা পাই, ইমামতি করি, তো টাকাটা চলে না। পরে মাইনষের কাছ থেকে চাইয়া চাইয়া, অনেক কষ্ট কইরা, তারে অনেক দিন পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর হাসপাতালে আমি চিকিৎসা কইরা অনেক কষ্ট কইরা তারে আল্লাহ মুক্তি করছে, ভালো হইছে।’
নিজের অসুস্থতার সময় ছেলের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, তারে কইছি, আমারে কিছু টাকা দে। পরে কিছু টাকা না দিয়া কয়, আমি জমি কিনমু। আমি টাকা দিতে পারতাম না, কষ্ট করে তোরে লেখাপড়া করলাম, লালন-পালন করলাম, তুই টাকা দিতে পারতি না?’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় ওই শিক্ষকের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ।

মহানগর এক্সপ্রেসে চড়ে গভীর রাতে ফেনীতে প্রতিমন্ত্রী
কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান
নিস্তব্ধ রাতে আর্তচিৎকার-‘আমাকে বাঁচাও বাঁচা’, মনির ফকিরের রহস্যজনক মৃত্যু