তিনি বলেন, একজন সরকারি দায়িত্বশীল ব্যক্তিই যদি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য সহ্য করতে না পারেন, তাহলে সাধারণ সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন? সরকারের সমালোচনা করা, ক্ষমতাসীনদের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশ করা গণমাধ্যমের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। সরকার বা সরকারের কোনো ব্যক্তির অপছন্দ হলেই সংবাদমাধ্যমকে হেয় করা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরিবেশ তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মাওলানা মুসা বিন ইযহার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। অথচ ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা ব্যক্তিদের এমন আচরণ সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকারকে মনে রাখতে হবে, গণমাধ্যম সরকারের মুখপাত্র নয়। বরং রাষ্ট্র ও সমাজের অনিয়ম-অসংগতি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
বিবৃতিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের এমন আচরণের ব্যাখ্যা দাবি করে বলেন, গণমাধ্যমকে ভয় দেখিয়ে কিংবা অপমান করে সত্য প্রকাশের পথ বন্ধ করা যাবে না। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। অন্যথায় জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশেও পুরোনো কর্তৃত্ববাদী সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকেই যাবে।

বহু চাঁদাবাজি করেছিস জীবনে, আল্লাহর কাছে তওবা কর, মাফ চা: শামীম ওসমানকে বিএনপি নেতা টিপু
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উৎপাদন বাড়ানো গেলে সমস্যার সমাধান সম্ভব: জামায়াত আমির
দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, জবাবদিহির অভাব দূর না করলে সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে: ফয়জুল করীম