নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি বুধবার আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ঘুষ, হুমকি, সহিংসতা ও জালিয়াতির মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করার অভিযোগ তোলে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি অভিযোগটি পর্যালোচনার কথা জানিয়েছে। তবে নির্বাচনের দিন বিভিন্ন দলের করা হাজার হাজার অভিযোগ এরই মধ্যে খারিজ করা হয়েছে।
আইজেনকট নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পরিবর্তনের পক্ষে জনমত তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি নেতানিয়াহুকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাংবিধানিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
সরকার গঠনে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ
সেনাসদস্য, বন্দী, হাসপাতালে থাকা ব্যক্তি, বিদেশে কর্মরত কূটনীতিক ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের দ্বৈত খামের ব্যালট গণনা বাকি থাকায় চূড়ান্ত ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে। এসব ব্যালটের সংখ্যা আনুমানিক ৪ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার, যা ১০ টির বেশি আসনের ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
এরপর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ নির্বাচিত দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এমন একজনকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, যাঁর ৬১ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রার্থী ২৮ দিনের মধ্যে সরকার গঠনের চেষ্টা করবেন; প্রয়োজনে সময় আরও ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে। ব্যর্থ হলে অন্য প্রার্থীকে সুযোগ দেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত সমাধান না হলে নতুন নির্বাচন হতে পারে।
বিরোধীরা সরকার গঠন করতে না পারলেও পার্লামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা এবং আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নেতানিয়াহুর ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করতে পারে। তবে বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অচলাবস্থা নিরসনে হারজগ দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরকে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের আহ্বানও জানিয়েছেন।

ইসরাইলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক’: কাতার
ইসরায়েলের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
খুব শিগগির ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠবে: ট্রাম্প