বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গত মঙ্গলবার মিরপুর বাংলা কলেজে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দেন।
তদন্ত ও কাউন্সিলর বিতর্ক
বিসিবির গত নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিসিবি এই পদক্ষেপকে আইসিসির নিয়মানুযায়ী ‘সরকারি হস্তক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিলেও প্রতিমন্ত্রী উল্টো দাবি করেছেন। তিনি বলেন:
- বিগত সরকারের প্রভাব: বিগত সরকারের সময়েই বিসিবির ওপর সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
- কাউন্সিলরশিপে কারচুপি: জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পাঠানো কাউন্সিলর তালিকা পরিবর্তন করে নতুন তালিকা দেওয়ার প্রমাণ রয়েছে, যা সম্পূর্ণ দৃশ্যমান অনিয়ম।
- সবার সাথে আলোচনা: তদন্ত কমিটি বর্তমান বোর্ড সদস্য, সাবেক নির্বাচন কমিশন এবং অভিযোগকারী—সবার সাথেই কথা বলে একটি স্বচ্ছ প্রতিবেদন তৈরি করবে।
আইসিসি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
বিসিবির সদস্যপদ নিয়ে শঙ্কার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন যে, সরকার কোনো একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে না। ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি-র (ICC) সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, অনিয়ম দূর করে বোর্ডকে কলঙ্কমুক্ত করাই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের লক্ষ্য।
মূল পয়েন্টগুলো একনজরে:
- তদন্ত কমিটি: এনএসসি গঠিত কমিটি বিসিবির নির্বাচনী অনিয়ম খতিয়ে দেখছে।
- বিসিবির অবস্থান: তারা এটিকে আইসিসির হস্তক্ষেপের নীতিমালার লঙ্ঘন বলে মনে করছে।
- সরকারের পাল্টা যুক্তি: আগের নির্বাচনে কাউন্সিলর বদলে দেওয়াটাই ছিল আসল হস্তক্ষেপ।
- সমন্বয়: আইসিসির সাথে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
