এদেশে কে সংখ্যালঘু আর কে সংখ্যাগুরু, সেটা কোনো পরিচয় নয়; আমাদের বড় পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশী। মুক্তিযুদ্ধ তথা জুলাই আন্দোলনে জাতি-মতনির্বিশেষে আমরা এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি। সেখানে কোনো ধর্মের পরিচয় ছিল না।
আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টা নাগাদ চট্টগ্রাম নগরীর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান।
তিনি আরও বলেন, এদেশে কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোত্রের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই। আমার জন্য যে আইন, সবার জন্যই একই আইন। সুতরাং জাতি-বর্ণ ভেদাভেদের কোনো সুযোগ নেই।
মণ্ডপ পরিদর্শনেকালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব ধর তমালসহ সনাতনী নেতৃবৃন্দ। বক্তব্য শেষে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা।
পূজামণ্ডপের কর্মসূচি শেষে হোটেল র্যাডিসন ব্লুতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার নেতাকর্মী এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সাথে একটি বিশেষ সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। রাতেই তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

আ.লীগের লোকেরা আপনাদের সম্পদ ছিনিয়ে নিয়েছিল: হিন্দুদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম: ভারতীয় হাইকমিশনার ত্রিবেদী
রাজনৈতিক কারণে বাধ্য হয়ে ১৭ বছর বিদেশে থাকতে হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী