এরপর শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার বাবা এবং শিক্ষককে মারধর ও মাদ্রাসায় ভাঙচুরের ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পৃথক মামলা করে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের করা মামলায় হামলা-ভাঙচুরের সময় ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগও আনা হয়েছে শিশুটির বাবা ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনের বিরুদ্ধে।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর হোসেন দাবি করেছেন, এক অভিভাবকের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল মাদ্রাসায় প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর, শ্লীলতাহানি এবং প্রায় ১৭ লাখ টাকা লুট করেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মাদ্রাসায় ‘মব’ পরিস্থিতি তৈরি করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর।
তবে শুক্রবার গভীর রাতে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিশুটির বাবা। নিজের বাসায় করা সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মব’ পরিস্থিতি তৈরি করতে নয়, বরং তিনি মেয়ের সঙ্গে হওয়া ঘটনার বিচার চাইতেই মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন। পাশাপাশি টাকা লুটের ঘটনা অস্বীকার করে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও মেয়ের ঘটনার বিচার দাবি করেন।

ধর্ষণ মামলার বাদীকে ৭৭ লাখ টাকা লুটের মামলার আসামি করলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক
মামলা হলে আমাকেই যেন প্রধান আসামি করা হয়: রুমিন ফারহানা
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ‘স্নাইপার’ নিয়ে মন্তব্য: কারাগারে সেই যুবক