শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে তিনি ছেলেকে মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে রেখে আসেন। ১৩ অক্টোবর দুপুরে ছেলে বাসায় খেতে এলে গোসল করানোর সময় শরীরের একটি অংশে প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানায়। ব্যথার কারণ জানতে চাইলে শিশুটি শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের কথা জানায়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মারধর করা হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছিল।
বিষয়টি জানার পর শিশুর মা মাদ্রাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। মাদ্রাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, শিশুটির মায়ের পরিচিত এক নারীর ১০ বছর বয়সী ছেলেও একই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। ওই শিশুও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছে। পরে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পারেন তাঁরা।
গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে এবার পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ২৮
ইমাম হত্যার ঘটনায় নীরবতা, থাপ্পড়ের ঘটনায় আইন-মডারেট ইসলামধারীদের নিয়ে তাহেরির প্রশ্ন
মোহাম্মদপুরে আ. লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল গ্রেপ্তার