ওই শিক্ষার্থীর দাবি, মাদ্রাসার আরও একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গেও শিক্ষক একই ধরনের অন্যায় আচরণ করতেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার মারাত্মক হুমকি দিতেন। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে ভুক্তভোগীকে আবারো ধর্ষণের চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। সে সময় সুযোগ বুঝে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের বিষয়টি অবহিত করে ভুক্তভোগী।
ধর্ষণের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে রাতভর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তবে এই ঘটনার জেরে শুক্রবার সকালে উত্তেজিত জনতা ওই মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার সাহা জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মাদ্রাসায় বলাৎকার-ধর্ষণ বন্ধে আলেম সমাজ কেন সোচ্চার হতে পারেন না, প্রশ্ন আসিফ নজরুলের
নয়নের অনুসারীরা জোর করে নালার সংস্কারকাজ করিয়ে প্রতি বাড়ি থেকে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন
প্রধানমন্ত্রীর সফরে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য: ছাড়া পেলেন সেই আবু বকরের বাবা