দোকানমালিক মো. রহিমের অভিযোগ, নুরু হাওলাদার দোকানে গিয়ে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই সময় তিনি দোকানে উপস্থিত না থাকায় তার ছোট ভাই রমজানের কাছে টাকা চান নুরু। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় দোকানে থাকা মালামালও মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, পরদিন নুরু হাওলাদার আবারও দোকানে গিয়ে টাকা দাবি করলে দোকানমালিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে নুরু হাওলাদার আহত হন।
রহিমের দাবি, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তার অভিযোগ নেয়নি। পরে তিনি জানতে পারেন, নুরু হাওলাদার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও নয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘আমার ভাইকে বাসা থেকে মোহন মাঝি ডেকে নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মারধর করেছেন। বর্তমানে সে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। আমার ভাই আগে কখনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল না, এখনও নেই। কেউ অন্যায় বা অপরাধ করলে সে আমার ভাই হলেও পার পাবে না।’
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহম্মেদ বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ চায় এনসিপি
টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিবির সভাপতি
এরশাদের ৯ বছরের শাসনামলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: জাপা নেতা আশরাফুজ্জামান