১ আসনের উপনির্বাচনে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেছেন, প্রশাসনের আচরণ বিবেচনা করে নির্বাচনে থাকা না-থাকার সিদ্ধান্ত নেবে জামায়াত।
রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জামায়াতের সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার জানান, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে সুনির্দিষ্ট নয়টি অভিযোগ ও তিনটি দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুল ইসলামকে অপসারণের দাবি রয়েছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেন, প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। সরকারি দলের প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি মানছেন না। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হিন্দু ভোটারদের সরকারি দলের লোকজন হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, অভিযোগ জানানোর পরও প্রশাসন কোনো সমাধান করছে না। এমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক চাপের কারণে কমিশন সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। নির্বাচন কমিশন কতটা অসহায় হয়ে পড়তে পারে, তা তাদের কর্মকাণ্ড দেখলেই বোঝা যায়।
পুরোনো মাগুরা উপনির্বাচনের ইতিহাস মনে রেখে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে তাঁদের প্রার্থী অত্যন্ত নির্যাতিত হয়েছেন।
তবে জামায়াতের এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে আটক ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন বিএনপি সাধারন সম্পাদক আজাদ
স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করাই সরকারের জন্য সম্মানজনক হবে : জামায়াত নায়েবে আমির
পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায়, বিএনপি নেতা মিলনসহ গ্রেপ্তার ২