গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রায়বাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্র ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে হাতকড়া পরিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে থানায় নেওয়ার সময় সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সরিষা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কাছে পুলিশের ওপর হামলা চালায় একদল ব্যক্তি।
এ সময় পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ রিয়াজুলকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। পাশাপাশি পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় শনিবার ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন উপজেলার বৈরাটি গ্রামের মো. ওয়াসীম মিয়া (২৬) এবং সরিষা গাংপাড় এলাকার মো. এমদাদুল হক (৪৫)। তবে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশি হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় বিএনপি নেতাসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নতুন করে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে গ্রেপ্তার অপর দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে আটক ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন বিএনপি সাধারন সম্পাদক আজাদ
স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করাই সরকারের জন্য সম্মানজনক হবে : জামায়াত নায়েবে আমির
জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : রাশেদ খান