তবে সালাউদ্দিনের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘হৃদরোগে আক্রান্ত (স্ট্রোক) হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন’ বলে প্রচার করা হয়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক বার্তা দেন।
অন্যদিকে, মামার বাড়িতে মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়া বাসার খাঁনকেও প্রথমে দেবিদ্বার ও পরে কুমিল্লা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে গত রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সালাউদ্দিন ও বাসার খাঁনের মৃত্যুর খবরে ভয় পেয়ে অন্যান্য অসুস্থরা গোপনে চিকিৎসা নিতে গেলে তাদেরও ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় পুলিশকে আগে কেউ জানায়নি বা কোনো অভিযোগ দেয়নি। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়েছি। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. তাহের
নিজ বাসা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেত্রীর মরদেহ উদ্ধার
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়ী: আখতার হোসেন