মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার প্রস্তাব পেশ না করা পর্যন্ত এবং “যেকোনোভাবে আলোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত” এই অবরোধ চলতে থাকবে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ইরানের বন্দর অবরোধ করা একটি যুদ্ধাচরণ এবং এটি সরাসরি যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন।” তিনি আরও যোগ করেন যে তেহরান জানে “কীভাবে ধমকের মুখে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয়।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একদিকে যুদ্ধবিরতি বজায় রেখে অন্যদিকে বন্দর অবরোধ চালিয়ে যাওয়া — ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী নীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরান যদি এই অবরোধকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং কূটনৈতিক পথে সমাধানের উপর জোর দিচ্ছে।

দিল্লিতে মোদির বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক মসজিদ খালি করার নির্দেশ
‘একসঙ্গেই শেষ করব’, ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথোপকথনে কী ইরানে হামলার ইঙ্গিত?
৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র