চন্দনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার সহপাঠী আজিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গুতে আমার বন্ধুকে হারাতে হবে, এটা কখনো কল্পনাও করিনি। একজন প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে অকালে চলে যাবে, বিষয়টি মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তার চলে যাওয়ায় আমরা একজন বন্ধুকে হারিয়েছি, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো বিষয় নয়, এটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। আর কোনো পরিবার যেন এভাবে প্রিয়জনকে না হারায়।
জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ত্বহা হুসাইন বলেন, খবরটি শুনে আমি মর্মাহত। হঠাৎ করে তার চলে যাওয়া যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। ছেলেটি খুবই ভালো ছিল। সে একজন জুলাইযোদ্ধাও ছিল। মাঝেমধ্যে তার সঙ্গে কথা হতো।
চন্দনের মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী, শিক্ষক ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিল
জগন্নাথ হলের হিন্দু শিক্ষার্থীদের ‘ভারতের দালাল’ বলার অভিযোগে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ নেতাকে শোকজ
ঢাবিতে হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক অর্ক সাহা আটক