একপর্যায়ে তারা হুমায়ুন কবিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে চলে যান। হামলাকারীদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা ছিল। ঘটনার পর হুমায়ুন কবিরকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা করেন। একপর্যায়ে তারা তাকে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম চলে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নগরীর আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার সৈয়দ হুমায়ুন কবির ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরাফাতসহ তার ভাইয়েরা উভয়েই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফ্রিজের কিস্তির পাওনা ১০ হাজার টাকা আদায় করাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কির জের ধরে আরাফাত ও তার ভাইয়েরা হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এইচএসসিতে ৩০০ শিক্ষার্থীর ২৪৭ জন অকৃতকার্য, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের প্রতিবাদ
জামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে: রাশেদ খাঁন
জামায়াতের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নেই: চরমোনাই পীর