strong>তিন মাস বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। নগরীর বৌদ্ধবিহার গুলোতে সকাল থেকেই পুণ্যার্থীদের পদচারণের পাশাপাশি দিনব্যাপী পূজা ও ধর্মদেশনা শেষে সন্ধ্যার পর আকাশ ছেয়ে গেছে রঙিন ফানুসে।
আজ রবিবার নগরের ঐতিহাসিক নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারসহ কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বিহার, পাথরঘাটা জেতবন শান্তিকুঞ্জ বিহার, চান্দগাঁও সার্বজনীন বৌদ্ধবিহার এবং মোগলটুলী শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহারসহ বিভিন্ন বিহারে চলছে উৎসবের আমেজ। বর্ণিল রঙিন আলোয় সেজেছে প্রতিটি বিহার।
সকালে নন্দনকানন ও কাতালগঞ্জ বৌদ্ধবিহারে ভোরের আলো ফুটতেই বিভিন্ন সাজে ও পূজার সামগ্রী হাতে পুণ্যার্থীদের আগমন শুরু হয়। পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ করছেন। সারাদিন বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান ও বিশেষ প্রার্থনা চলে।
সন্ধ্যা থেকে ফানুস উৎসবকে কেন্দ্র করে, বিশেষ করে চেরাগী পাহাড়, মোমিন রোড ও নন্দনকানন বিহার এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। আকাশে ওড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন আকৃতির রঙিন ফানুস।
বিহারে আসা পুণ্যার্থী টিয়া বড়ুয়া জানান, ‘প্রবারণা পূর্ণিমা আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, আত্মশুদ্ধি ও নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ারও দিন। প্রতিবছর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিহারে আসি। প্রার্থনা করি, পৃথিবী থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হোক, সবার জীবন শান্তিময় হোক।’
নন্দনকানন বিহারে সপরিবারে আসা রকি বড়ুয়া জানান, মূলত তিন মাসের বর্ষাবাস (উপাসনা) পালন শেষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা আত্মশুদ্ধি, সংযম ও পারস্পরিক ক্ষমা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্যাপন করেন। আজকের দিনে ফানুস উড়িয়ে বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি ও মৈত্রীর বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি।
প্রতিটি বিহারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত সাদাপোশাকের পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির আমাদেরকে বলেন, ‘প্রবারণা পূর্ণিমায় সন্ধ্যার পর ফানুস উৎসবে সব ধর্মের বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সব সময় সতর্ক নজরদারি রয়েছে।’

পিএসসির সদস্য হলেন জুলাইয়ে শেখ হাসিনার ছবি সরানো জাবি অধ্যাপক শামীমা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করল নেপাল
হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ভুয়া চিকিৎসক আরিফ আটক