২০১৫ সালে গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের শিকার হওয়ার দাবি করে ১১ বছর আগের একটি
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি বার্তা দেন।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে হাতে পায়ে ডান্ডা বেড়ি পরানোর কথা উল্লেখ করে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন লিখেছেন, ‘ছবিটা ২০১৫ সালের। আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনের পর বিএনপি দেশজুড়ে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে। সেই আন্দোলনে সমানে থেকে লড়াই করে গ্রেপ্তার হয়েছিলাম। আমাকে তখন আওয়ামী লীগের পেটোয়া বাহিনী অসহনীয় নির্যাতন করে এভাবে হাতে পায়ে ডান্ডা বেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে একপ্রকার বিনা চিকিৎসায় ফেলে রেখেছিল। ঠিকমতো ওষুধও দিত না।’
তিনি লেখেন, ‘আজকে যেসব সুশীল স্যোশাল মিডিয়ায়, টকশোতে গিয়ে গলাবাজি করেন তারা সেই সময় রাজপথ থেকে নিরাপদ দূরত্বে রেখে চলতেন। আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে চলতেন। তারা এখন ত্যাগী, রাজপথের লড়াকু সৈনিকদের জ্ঞান দেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘হঠাৎ গজিয়ে ওঠা যারা নিজেদের বড় বিপ্লবী বলেন, ’২৪-এর ৫ আগস্টের আগে তারা আওয়ামী লীগের লুঙ্গির তলায় ছিলেন। এখন নিজেদের গুপ্ত গন্ধ ডাকতে একে ওকে ‘গুপ্ত’ বলে। আসল নির্লজ্জের কোনো লজ্জা থাকে না। প্রবাদে বলা আছে- ‘চোরের মায়ের বড় গলা।’
জুলাই আন্দোলনের বিপ্লবীদের উদ্দেশে নয়ন লিখেছেন, ‘২৪-এর ৫ আগস্টের পরের বিপ্লবীদের বলতে চাই- আওয়ামী লীগের পতন হঠাৎ করে হয়নি। বিএনপি ও বিএনপির লড়াকু সৈনিকদের দীর্ঘ বছরের আন্দোলন আর সংগ্রামের চূড়ান্ত ফল ২৪-এর ৫ আগস্ট। বিএনপি ও বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠ তৈরি করেছে, চারা রোপণ করেছে, সার- মাটি- পানি দিয়ে ফসল উৎপাদন করেছে জুলাইয়ে সেই ফসল কেটে ঘরে তোলা হয়েছে।’

দুর্নীতি বন্ধ করতে স্পিকারকে রেজিস্টার চালুর প্রস্তাব দিলেন তাসনিম জারা
পাবনায় এনসিপি নেতা মুজাহিদের স্টোরিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু, তদন্তে পুলিশ
যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে