পরে স্থানীয় জামায়াতের নেতারা থানায় এসে দাবি করেন, হায়দার আলী ২০২২ সাল থেকে তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এ দাবির পক্ষে তারা দলীয় চাঁদা দেয়ার রসিদ এবং বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণের প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
ওসি মেহেদী হাসান আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হায়দার আলীকে জামায়াতের নেতাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় তথ্যদাতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
হায়দার আলীকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় উপস্থিত ছিলেন কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য ও যুব বিভাগের সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
কোটচাঁদপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুল কাইয়ুম বলেন, তারা থানায় গিয়ে হায়দার আলীর জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি ওসিকে জানান। এ সময় পুলিশ তার পক্ষে কাগজপত্র চাইলে ২০২২ সাল থেকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নথি জমা দেয়া হয়। পরে সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ তাকে উপজেলা জামায়াতের আমিরের হাতে তুলে দেয়।

২০ বছর ধরে বগুড়ার মানুষ উন্নয়নবৈষম্যের শিকার: শাহে আলম
বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩
ভোট শেষ, তাই পূজামণ্ডপে জামায়াত নেতাদের দেখা মেলেনি: মীর শাহে আলম