তিনি আরও বলেন, ‘তার রাগটা মূলত অন্য জায়গায়। সে এই বিভাগের শিক্ষক হতে চায়। কিন্তু তার অনার্সে সিজিপিএ কম থাকায় সে আবেদন করতে পারেনি। তারপর থেকেই সে প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত। এখনো পর্যন্ত সে শিক্ষক হবেই—এমন মানসিকতা পোষণ করে।’
অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দিনে দুপুরে পাবলিক প্লেসে সবার সামনে এমন আচরণ আমার জন্য খুবই লজ্জাজনক। আমি প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তারা আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা বুলবুল রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছোটভাইয়ের হয়ে তার কাছে রিকোয়েস্ট করেছি, যেন তাকে মানবিক দিক বিবেচনা করে পরীক্ষায় বসতে দেন। সে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল, যার কারণে ক্লাস করতে পারেনি। এর বাইরে আমি কিছু করিনি। এটা তো রুমের ভিতরে না, সবার সামনে। আমি তাকে কেন হেনস্তা করতে যাব? হেনস্তার যে অভিযোগ তিনি করেছেন, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন। উল্টো তিনি আমার সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছেন।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি সিরিয়াসভাবে দেখতে হবে। আমরা স্যারদের সঙ্গে কথা বলে তারপর সিদ্ধান্ত নেব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ‘বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের কিছু তথ্য এসেছে। এখনো সব তথ্য আমরা পাইনি। বিষয়টি আমরা দেখছি। পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াত-এনসিপি সহ্য করতে পারছে না: আমজনতার তারেক
ঠাকুরগাঁওয়ে নাশকতা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৭ নেতাকর্মী কারাগারে
‘টাকা খরচ করে তথাকথিত মিথ্যা সম্পাদক, সহকারী এবং তাদের আশপাশের তেলবাজদের বিদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে‘