প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের পর তাঁর ছাত্রত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে আসিফ নজরুল তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
আসিফ নজরুল লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন, মাস দুয়েক ক্লাসও করেছেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের একজন ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টি জানতাম আমি।”
আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে তারেক রহমানের সমসাময়িক কয়েকজন অতিপরিচিত ও বিশিষ্ট সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
-
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
-
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
-
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
তারেক রহমানের পড়াশোনা কেন মাঝপথে থেমে গিয়েছিল, সে বিষয়েও আলোকপাত করেছেন আসিফ নজরুল। তিনি জানান, সেই সময় দেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রবল শাসন চলছিল। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে এরশাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় সম্ভবত নিরাপত্তাজনিত কারণেই তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
