ইরানের ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা শুধু মাঠের লড়াই নয়, বরং দেশ ও জাতির সম্মান রক্ষার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ হিসেবে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন তেহরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি এই বার্তা তুলে ধরেন।
ওই পোস্টে আরাঘচি একসঙ্গে দুটি ভিন্ন দৃশ্যকল্প উপস্থাপন করেন—একদিকে চলতি বিশ্বকাপের ম্যাচের ছবি, অন্যদিকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত স্কুলছাত্রীদের স্মৃতি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ফুটবল মাঠ, কূটনৈতিক আলোচনার টেবিল বা সংঘাতের ময়দান—যেখানেই ইরানিরা পদক্ষেপ নিচ্ছে, সবকিছুর মূলে রয়েছে জাতির গর্ব ও মর্যাদা সুরক্ষার একই লক্ষ্য।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার পোস্টে দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সংঘটিত হামলার কথাও স্মরণ করেন, যেখানে গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ১৬০ জনের প্রাণহানি ঘটে, যাদের বড় অংশই ছিল শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।
এই মন্তব্যটি এমন এক প্রেক্ষাপটে এসেছে, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত আছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে ইরান জাতীয় দল বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে কঠিন এক ম্যাচে গোলশূন্য সমতায় শেষ করে।
