গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এবং তার বিরোধী পক্ষ-কারোর হাতেই ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৬১ আসন) নেই। বর্তমান অবস্থায় আরব দলগুলোর সমর্থন না নিয়ে সরকার গঠন করা বিরোধী জোটের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর ওপর নির্ভর না করে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের পথ খুঁজতেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
এই নতুন প্রস্তাবের ফলে ভোটাররা পুরো সরকার বা পার্লামেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি সরাসরি তাদের পছন্দের প্রধানমন্ত্রীকে আলাদাভাবে ভোট দিতে পারবেন। এর ফলে সরাসরি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা একজন প্রধানমন্ত্রী নেসেটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও তাত্ত্বিকভাবে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে সক্ষম হবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিরোধী দলগুলোর এই উদ্যোগ বেশ চমকপ্রদ, কারণ ২০২১ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত অস্পষ্ট নির্বাচনের পরও যখন জোট গঠনে ব্যর্থ হয়েছিলেন, তখন ঠিক একই ধরনের প্রস্তাব এনেছিলেন নেতানিয়াহু নিজেই।
তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। ইসরায়েলের সাংবিধানিক ভিত্তিমূল ‘বেসিক ল: দ্য গভর্মেন্ট’ অনুযায়ী, কোনো নতুন সরকারকে শপথ নিতে হলে নেসেটের ১২০ জন সদস্যের আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়। তাই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করতে হলে এই মূল আইনে বড় সংশোধন এনে পাস করাতে হবে, যার জন্য পার্লামেন্টে ন্যূনতম ৬১ জন নেসেট সদস্যের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে।

ফের হামলার দুঃসাহস দেখালে যুদ্ধ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান
সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা
‘তারা আমার বাবাকে হত্যা করতে চাইছে’: ইমরান খানের ছেলের জরুরি সতর্কবার্তা