সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির পদহীন নেতা রাশেদ খান। তিনি দাবি করেছেন, তার লেখালেখির কারণে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় একটি সংগঠিত চক্র বিদেশ থেকে ভুয়া কপিরাইট অভিযোগ দিয়ে তার ফেসবুক আইডি সাসপেন্ড করিয়েছে।
শনিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান জানান, তার অ্যাকাউন্টে ১৬টিরও বেশি কপিরাইট ক্লেইম করা হয়, যার ফলে আট দিনের জন্য তিনি পোস্ট করার সুযোগ হারান। যদিও বর্তমানে অ্যাকাউন্টে পোস্ট করার সুবিধা ফিরে পেয়েছেন, তবে কপিরাইট সংক্রান্ত অভিযোগগুলো এখনো নিষ্পত্তি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
রাশেদের ভাষ্য, তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফটোকার্ড শেয়ার করেছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে কপিরাইট অভিযোগ করেনি। বরং তুরস্ক থেকে পরিচালিত একটি লবিস্ট টিম এসব অভিযোগ দায়ের করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে নিয়মিত সাইবার আক্রমণ, গালিগালাজ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। তার মতে, রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
জামায়াত-শিবিরের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলাই তার “অপরাধ”। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আরও কঠোর ও কর্তৃত্ববাদী আচরণ করতে পারে।
তবে রাশেদ খানের এ অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত বা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
