এর আগে, গত ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্স খুলে গণনা করা হয়েছিল। সে সময় দানবাক্স থেকে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে লালন একাডেমির অফিশিয়াল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, “ফকির লালন শাহের দুটি প্রধান বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে সাধারণত চারবার মাজারের দানবাক্স খোলা হয়। তিরোধান দিবস পরবর্তী ধারাবাহিকতায় আজ দানবাক্স খুলে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। সংগৃহীত সব টাকা আজই লালন একাডেমির নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হচ্ছে।”

দেশে বর্তমানে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লায় মোটরসাইকেল ছাড়াতে গিয়ে ভুয়া সিআইডি রাসেল আটক
দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১