পরে সন্ধ্যায় হরিশ্চরের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ উদ্দিন ও শামীম ইকবাল এবং যুবদল কর্মী মো. মামুন ও সাদ্দাম হোসেনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়াও দুই পথচারী আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লালমাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোজাম্মেল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার (কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি) সমর্থক নেতা-কর্মীরা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি মিছিল নিয়ে মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লালমাইয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ভুশ্চি বাজার এলাকায় পৌঁছালে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরীর সমর্থক নেতা-কর্মীরা মিছিলটিতে হামলা চালান।’
এদিকে লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কয়েকজন সেখানে এসে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও পরে সংঘর্ষ হয়।’
লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।

আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতা নয়, চাই নীতির পরিবর্তন: ফয়জুল করীম
প্রতিমন্ত্রীর নিষেধের পরও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অশ্লীল নৃত্য, বিলুপ্ত হলো ছাত্রদলের ইউনিয়ন কমিটি
‘হেডাম’ দেখাতে চাইলে বিএনপি করা যাবে না: রাশেদ খাঁন