সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
Logo
×

২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ হোলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে

Icon প্রথম সমাচার ডেস্ক

চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন ৩৮৬টি মামলা, যাতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জড়িত। অন্যদিকে, সিলেট মহানগর ও জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন ২১৩টি মামলায় প্রায় ৮০০ কোটি টাকা জড়িত।

এ ছাড়া গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরেও এ ধরনের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

রিহ্যাবের সাবেক সহসভাপতি কামাল মাহমুদ বলেন, ‘রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৯ ও ২০ ধারায় নিবন্ধন ছাড়া আবাসন ব্যবসা পরিচালনা এবং অনুমোদন ছাড়া প্রকল্প পরিচালনা বা বিক্রির জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।’

এ ছাড়া আইনের ২৪ ধারায় ক্রেতার অজ্ঞাতে চুক্তিবদ্ধ সম্পত্তি অবৈধভাবে অন্যত্র বিক্রির ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রয়েছে। কোম্পানির মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে ৩১ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দায়ী মালিক, পরিচালক বা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত দায়ের বিষয়টিও আসে।

তিনি বলেন, ‘প্রতারণার ঘটনায় ফৌজদারি আইনে মামলা করা যায়। এখন সেটিই হচ্ছে। তবে আবাসন খাতের এ ধরনের সমস্যা দেখভালের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একটি সেল রয়েছে। সেখানে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এসব বিষয় তদারকির দায়িত্ব রাজউকেরও রয়েছে। কিন্তু প্রতারক চক্রগুলোর সঙ্গে রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে।’

রিহ্যাবের সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল বলেন, ‘প্রতারণার অভিযোগ ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো রিহ্যাবের সদস্য নয়। সদস্য হলে অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এ ধরনের প্রকল্পে শেয়ার কেনার আগে ক্রেতাদেরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রিহ্যাবের সদস্য কি না, প্রকল্পের রাজউকের অনুমোদন রয়েছে কি না এবং জমির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র সঠিক কি না, তা ভালোভাবে যাচাই করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’

রিহ্যাব সভাপতি বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাড়া নেওয়া জমি, রাজউকের ভুয়া বা অনুমোদনহীন নকশা, জাল দলিল ও ভুয়া নামজারির কাগজপত্র দেখিয়ে এসব প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রতারিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে রাজউক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’

রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) ও মুখপাত্র মো. শাহীনুর আলম বলেন, ‘রাজউক অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্প বন্ধ ও উচ্ছেদ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। গত কয়েক মাসে জমির শেয়ার বিক্রির নামে পরিচালিত এ ধরনের অনেক অবৈধ প্রকল্প বন্ধ করা হয়েছে।’

অভিযোগ পাওয়া গেলে আরও জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান রাজউকের মুখপাত্র।

আরও খবর লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

« বিস্তারিত কমেন্টে »
prothomsomachar.com