সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
Logo
×

ধর্ষণ মামলার বাদীকে ৭৭ লাখ টাকা লুটের মামলার আসামি করলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক

Icon প্রথম সমাচার ডেস্ক

ধর্ষণ মামলার বাদীকে লুটপাটের মামলায় আসামি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিদর্শক (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার বাদীকে আমরা মাদ্রাসায় লুটপাটের মামলায় আসামি করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে আসামি করবে। আমরা তদন্ত ছাড়া তাকে গ্রেফতার করবো না।’

নতুন মামলার বাদী মো. উমায়ের নিজেকে মাদ্রাসার পরিচালনা সহকারী দাবি করেন। তার ভাষ্য, তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মাদ্রাসার জায়গাজমি দখল ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে তার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে ওই রাতে মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।

মো. উমায়ের বলেন, ‘ধর্ষণের যে মামলাটি করা হয়েছে, সেটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মাদ্রাসার জায়গাজমি দখল ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে ওই রাতে আমাদের মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ৭৭ লাখ টাকার মালামাল মাদ্রাসা থেকে লুট করা হয়। এ ছাড়া মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আরও কোটি টাকার ওপরে ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।’ গত কয়েক বছর ধরে একটি পক্ষ মাদ্রাসার জায়গাজমি লুটপাটের চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন উমায়ের।

অন্যদিকে, মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় ধর্ষণ মামলার বাদীকে আসামি করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর স্বজনেরা। ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল বারীকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার না করায়ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা।

গত বুধবার ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সন্ধ্যায় এলাকাবাসী মাদ্রাসাটি ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন এলাকাবাসীর তোপের মুখে পুলিশ সদস্যরা মাদ্রাসার ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। রাত পৌনে ৯টার দিকে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করে দ্রুত থানার দিকে রওনা হন পুলিশ সদস্যরা। এরপর এলাকাবাসী দ্বিতীয় দফায় মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালান এবং ভেতরে থাকা মালামাল লুট করে নিয়ে যান।

আরও খবর লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

« বিস্তারিত কমেন্টে »
prothomsomachar.com