জাপান সম্পর্ক দীর্ঘদিনের
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহু পুরনো। ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের বড় মেগা প্রকল্প- যেমন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনাল, মহেশখালী-মাতাবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও শক্তি হাব, এবং ঢাকার মেট্রোরেল নির্মাণে জাপানের ‘জাইকা’র অবদান প্রত্যক্ষ।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন অংশীদারত্ব অতিক্রম করে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত হয়েছে। বিশেষ করে, ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি টোকিওতে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) উন্নত দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সক্ষমতায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য রফতানি সুবিধা ধরে রাখা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর এই চারদিনের জাপান সফর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে এবং মুক্ত বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পিএসসির সদস্য হলেন জুলাইয়ে শেখ হাসিনার ছবি সরানো জাবি অধ্যাপক শামীমা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করল নেপাল
হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ভুয়া চিকিৎসক আরিফ আটক