প্রকল্প পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি পক্ষ। তাঁদের দাবি, বিএডিসি চেয়ারম্যানের প্রভাব কাজে লাগিয়ে প্রকল্পের কিছু কেনাকাটায় নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো যাচাই করতে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক নথি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিএডিসি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দরপত্র, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হোক। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রাপ্তিস্বীকার, তদন্ত শুরুর অবস্থা এবং এ পর্যন্ত গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একইভাবে ফিউমিগেশন শিটের উৎপত্তি দেশ ও মানসংক্রান্ত চুক্তির শর্ত, ‘জাহানারা এন্টারপ্রাইজ’-এর যোগ্যতার সনদ, সাধুহাটি, ইটাখোলা ও ঠাকুরগাঁও খামারে সরবরাহ করা হারভেস্টারের কারিগরি সক্ষমতা, টেন্ডার আইডি 1178841 ও 1178840-এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাদ দেওয়ার কারণ এবং প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের পক্ষে থাকা আর্থিক নথি পর্যালোচনার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।
এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তিতে দাপ্তরিক নথি, কারিগরি পরীক্ষার ফল, আর্থিক নিরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ হোলিস্টিক হোম বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কিছু তথ্য পেয়েছে দুদক
রাতের আঁধারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ, আটক ৩