সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রকাশিত তথ্য মতে, এই নান্দনিক কোরআনের কপিটি ভারতে লিখিত এবং আকারে বেশ ব্যতিক্রমী।
জানা গেছে, পবিত্র কোরআনটি অষ্টভুজ বা আট কোণা আকৃতির। আকার ছোট হওয়ায় এটি সহজে বহন করা যেত। এতে কোরআন লেখার ক্ষেত্রে শৈল্পিকতা ও নতুনত্বের সুন্দর নিদর্শন পাওয়া যায়।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা কোরআনের ক্যালিগ্রাফির ইতিহাস ও পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারবে। একই সঙ্গে এটি হেরা কালচারাল ডিসট্রিক্টের সাংস্কৃতিক ও পর্যটন কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং মক্কার আন্তর্জাতিক গুরুত্ব তুলে ধরবে। পাশাপাশি মক্কার বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করবে।
