বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
Logo
×

ইসলামাবাদকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে পেশোয়ার জালমি

প্রথম সমাচার ডেস্ক ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

​২০২৬ সালের পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ৭০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সরাসরি ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পেশোয়ার জালমি। করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে জালমি ২২১ রানের পাহাড় গড়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইসলামাবাদের ইনিংস ১৫১ রানেই থমকে যায়। দুর্দান্ত এক অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন পেশোয়ারের অধিনায়ক বাবর আজম।

​ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের অধিনায়ক শাদাব খান প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে তার এই সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন পেশোয়ারের ওপেনাররা। বাবর আজম এবং কুশল মেন্ডিস শুরু থেকেই চড়াও হন বোলারদের ওপর। বিশেষ করে বাবর আজম ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল; তার দৃষ্টিনন্দন শটগুলো ইসলামাবাদ বোলারদের কোনো সুযোগই দেয়নি। কুশল মেন্ডিসও দ্রুতগতির একটি হাফ-সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।

​পেশোয়ারের ইনিংসের মধ্যভাগে মাইকেল ব্রেসওয়েল এবং অন্যান্য ব্যাটাররা কিছুটা খেই হারালে দ্রুত কিছু উইকেট পড়ে যায়। এক পর্যায়ে স্কোর ১৫৬/২ থেকে ১৬৪/৪ হয়ে গেলেও বাবর আজম এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের গতি সচল রাখেন। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে জালমি ৭ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়। ইসলামাবাদের হয়ে শাদাব খান গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিলেও তিনি ছিলেন বেশ ব্যয়বহুল। অন্যদিকে রিচার্ড গ্লিসন নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

​২২২ রানের বিশাল লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড শুরুটা মারমুখী ভঙ্গিতে করেছিল। ওপেনার সামির মিনহাস মাত্র ২৩ বলে ৪৪ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। এছাড়া ডেভন কনওয়ে ১৪ বলে ২০ রান এবং ইমাদ ওয়াসিম ১৫ বলে ২২ রান করে চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। পেশোয়ারের বোলারদের তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ১৮.৪ ওভারে ১৫১ রানে অলআউট হয় ইসলামাবাদ।

​পেশোয়ার জালমির বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যারন হার্ডি, যিনি মাত্র কয়েক ওভারের ব্যবধানে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সুফিয়ান মুকিম এবং মোহাম্মদ বাসিত। বাসিত ইনিংসের শেষ দিকে ৩.৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ইসলামাবাদের ফেরার পথ বন্ধ করে দেন। এই জয়ের ফলে পেশোয়ার আগামী ৩ মের ফাইনালের জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে, অন্যদিকে ইসলামাবাদকে দ্বিতীয় এলিমিনেটরে লড়তে হবে ফাইনালের টিকেট পাওয়ার জন্য।

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...