নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে নিজ ঘরের মেঝের নিচ থেকে এক বৃদ্ধার গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে জুয়েল মিয়া (৪০) পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, তিনিই তার মাকে হত্যা করে লাশ ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছিলেন।
৩ জুন মধ্যরাতে জুয়েল মিয়ার ঘরের মেঝে খুঁড়ে নিহত মারুফা বেগমের (৬০ ঊর্ধ্ব) লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারুফা বেগম কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। একপর্যায়ে সন্দেহের ভিত্তিতে জুয়েল মিয়ার ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। পরে ঘরের মেঝে খুঁড়ে গলিত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে মারুফা বেগমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এরপর ঘটনাটি গোপন করতে লাশ ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা হয়।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলে জুয়েল মিয়াই তার মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছিল। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
