সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পুনর্বাসন প্রসঙ্গে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছেন নিজ দলচ্যুত রাশেদ খান। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মীদের জন্য “পুনর্বাসনমুখী” দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থেকেও কেউ যদি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে রাজনীতি করতে পারেন, তাহলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরাও কেন নতুনভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারবেন না—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
রাশেদ খান তার লেখায় বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল হওয়ায় এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল ব্যক্তিকে একযোগে রাজনীতির বাইরে ঠেলে না দিয়ে বিকল্প পথে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত। তার মতে, কেউ নতুন দলে যুক্ত হতে পারেন, আবার কেউ নিজেদের নতুন কাঠামোতে “পরিমার্জিত আওয়ামী লীগ” হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।
একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাব দেন, এই বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে। তার পোস্টে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, হাসনাত আব্দুল্লাহ এ ধরনের একটি প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখতে পারেন।
ফেসবুকের ওই পোস্টটি প্রকাশের পর অনলাইন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির প্রস্তাব হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পুনর্বাসনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে প্রয়োজন ব্যাপক আলোচনা, দলীয় অবস্থান এবং জনমতের প্রতিফলন।
