জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তা সংকটের কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিকে উল্লেখ করেছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দিতে বেশি আগ্রহী হন। কিন্তু তিনি না থাকলে সেই আগ্রহ কমে যায়। সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তা না থাকার বিষয়ে স্পিকারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্যটি জানান।
সংসদে বক্তব্য দেয়ার তালিকার কথা উল্লেখ করে চিফ হুইপের উদ্দেশ্য স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই যে তালিকা দেন, প্রথমে ছাপানো, তারপরে হাতে লেখা। কিন্তু বক্তা তো পাওয়া যায় না।
জবাবে চিফ হুইপ বলেন, মাননীয় স্পিকার আজ সংসদ সদস্যদের যে তালিকা দিয়েছি, সবার সঙ্গে আমার কম-বেশি কথা হয়েছে এবং আমাদের হুইপবৃন্দ সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। কথা বলেই তালিকা দেয়া হয়েছে। তারা সবাই ভালো করেই জানে।
তিনি বলেন, একটা সমস্যা হয়েছে, মাননীয় স্পিকার আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত নেই। প্রধানমন্ত্রী সংসদের প্রাণ। উনি থাকলে সবাই তার বক্তব্য শুনাতে চান। এজন্য আমরা অনেক বক্তা পাই না।
তিনি আরও বলেন, আজ সংসদ সদস্য যারা আছেন। তারা যদি বক্তব্য রাখেন, আমরা চেষ্টা করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে বক্তব্য পৌঁছে দেয়ার।
পরে চিফ হুইপের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্পিকার বলেন, মাননীয় চিফ হুইপ, আমি প্রথম সারিতে আমি মাত্র ৩ জন মন্ত্রীকে দেখতে পাচ্ছি। অনেক সংসদ সদস্য তাদের এলাকার কথা বলেন, এগুলো মন্ত্রীদের শুনা প্রয়োজন। আপনি আমাদের পক্ষে থেকে মন্ত্রীদের অনুরোধ করবেন তারা যাতে সংসদ এসে সংসদ সদস্যদের কথা-বার্তা শুনেন।
জবাবে চিফ হুইপ বলেন, আজকের যে এখানে মন্ত্রী নাই, তার একমাত্র কারণ হলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীবর্গ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে আছেন। তারা সবাই রাষ্ট্রীয় কাজে আছেন। বাকি সকল মন্ত্রী দ্বিতীয় সারি, তৃতীয় সারিতে উপস্থিত আছেন। প্রায় ৩০-৪০ জনের মতো মন্ত্রী এখানে আছেন।
পরে স্পিকার বলেন, সংসদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকা। এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নাই।
