আরাঘচি যোগ করেন, “এটি সর্বজনীনভাবে স্বীকার করে নেওয়ারই প্রমাণ যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হয় কমে গেছে, নয়তো একেবারে হারিয়ে গেছে।”
বিশ্ব মোড়লদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “কিছু দেশ নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবজাতির বিবেককে তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাওয়ার অধিকার কেবল তাদেরই আছে। তারা নিজেদের এবং তাদের সহযোগীদের বিচারহীনতার সুযোগ তৈরি করে নেয়।”
পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিচারিতার চরম সমালোচনা করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ফলস্বরূপ, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে জায়নবাদী শাসনের মতো একটি অপরাধী সত্ত্বাকে তাদের ইচ্ছেমতো যেকোনো অপরাধ করার অবাধ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অথচ যেসব পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশ নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে দাবি করে, তারা সম্পূর্ণরূপে নীরব ভূমিকা পালন করছে।”

মোজতবা খামেনির শাসনব্যবস্থা উচ্ছেদে মোসাদকে নির্দেশ নেতানিয়াহুর
স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ শি জিনপিংয়ের
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়াতে চাইছে ইরান: ট্রাম্প