অভিযোগের নথিতে উল্লিখিত সম্পদের মধ্যে রয়েছে:
– গুলশান ডুমনী মৌজায় ৪ কাঠা জমি (জোত নং ১৩৭/২৫) এবং আরও ৪ কাঠা (জোত নং ১৪৭/৩৫)
– ধানমন্ডি রামচন্দ্রপুর মৌজায় একটি ফ্ল্যাট
– রমনা খিলগাঁও এলাকায় একটি ফ্ল্যাট
– ডেমরা শূন্যা মৌজায় ৬ কাঠা (জোত নং ২৩/০২), ৫ কাঠা (জোত নং ২৪/০২) ও ৪ কাঠা (জোত নং ২৫/০২) জমি
– নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন মৌজায় ৩ কাঠা জমি
অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সম্পদ তাঁর নিজের ও বেনামে অর্জিত। তবে এসব সম্পদ কার নামে নিবন্ধিত, কখন ও কত মূল্যে কেনা হয়েছে এবং তা বৈধ আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কি না, তা যাচাই করা যায়নি।
কানুনগো ভূমি প্রশাসনের একটি নন-গেজেটেড পদ, যিনি রাজস্ব সার্কেলে ভূমি-সংক্রান্ত নথি ও কার্যক্রম তদারক করেন। বাংলাদেশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ লেনদেন দুর্নীতি দমন-সংক্রান্ত আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত, এবং এসব বিষয়ে তদন্তের এখতিয়ার সাধারণত দুদকের।
অভিযোগগুলো তদন্তে প্রমাণিত হলে ভূমি প্রশাসনে নামজারি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, কারণ নামজারি সাধারণ নাগরিকের জমির মালিকানা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সেবা। এ বিষয়ে দুদক বা ভূমি মন্ত্রণালয়ের কোনো পদক্ষেপের ঘোষণা এখনো আসেনি। সম্পদের নিবন্ধন-তথ্য ও আয়ের উৎস যাচাই এবং ভুক্তভোগীদের সরাসরি বক্তব্য সংগ্রহের মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব। বর্তমানে অভিযোগগুলো অপ্রমাণিত এবং অভিযুক্তের বক্তব্য অপেক্ষমাণ।

জাল সনদে চাকরিতে ঢুকে নজরুল এখন ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ
সার্বিয়ায় কর্মী পাঠানোর ছাড়পত্রে বিএমইটির তাজিম-উর-রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
গণপূর্তে লটারি নিয়ে বিতর্ক: বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি