বিশ্বকাপ অভিযান দারুণ এক জয়ে শুরু করেছে জার্মানি। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আক্রমণাত্মক ফুটবল, দুর্দান্ত পাসিং আর ধারালো ফিনিশিংয়ে পুরো ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে ছাপিয়ে যায় জার্মানরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই কুরাসাওয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে জার্মানি। পঞ্চম মিনিটেই ফ্লোরিয়ান ভির্টজের বাড়ানো বল থেকে ফেলিক্স এনমেচা গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুর লিড পাওয়ার পরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে ইউরোপের দলটি।
তবে ২০তম মিনিটে চমক দেখায় কুরাসাও। লিভানো কোমেনেনসিয়ার দূরপাল্লার শট ডিফ্লেক্ট হয়ে জালে জড়িয়ে গেলে সমতায় ফেরে তারা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই কুরাসাওয়ের প্রথম গোল।
সমতায় ফেরার পর কিছুটা চাপে পড়লেও দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় জার্মানি। ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে নিকো শ্লোটারবেকের হেডে আবারও এগিয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এনমেচাকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় জার্মানি, আর স্পট কিক থেকে কাই হাভার্টজ ব্যবধান ৩-১ করেন।
বিরতির পর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে জার্মানি। ৪৬তম মিনিটে জোশুয়া কিমিখের পাস থেকে জামাল মুসিয়ালা গোল করে স্কোরলাইন ৪-১ করেন। এরপর ৬৭তম মিনিটে লার্স ব্রাউন নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করেন।
৭৬তম মিনিটে বদলি স্ট্রাইকার ডেনিজ উনদাভ গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান। ম্যাচের শেষদিকে আবারও জালের দেখা পান কাই হাভার্টজ, ৮৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে জার্মানির ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।
পুরো ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় জার্মানি। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসা কুরাসাও এক গোল করলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানের হার এড়াতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ মিশন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুরু করল জার্মানি। অন্যদিকে কুরাসাওকে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে টিকে থাকার লড়াইয়ে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।
