ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দৃষ্টি কেড়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার এক শিক্ষার্থী। তার অনিন্দ্যসুন্দর, পরিপাটি ও নান্দনিক হাতের লেখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তবে তার নাম পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি।
প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া লেখাটি দেখে অনেকেই মন্তব্য করছেন, ডিজিটাল যুগে যখন হাতে লেখার চর্চা ক্রমেই কমে যাচ্ছে, তখন এমন নিখুঁত অক্ষরবিন্যাস সত্যিই বিস্ময় জাগায়। প্রতিটি বর্ণের গঠন, সমান দূরত্ব, রেখার শৃঙ্খলা এবং সামগ্রিক উপস্থাপনায় ফুটে উঠেছে দীর্ঘদিনের অনুশীলন ও শিল্পবোধ।
বিশেষ করে বাংলা অক্ষরের বাঁক, মাত্রার সুষম ব্যবহার এবং লাইনের ভেতরে লেখার যে শৈল্পিক ভারসাম্য দেখা গেছে, তা সাধারণ হাতের লেখাকে ছাড়িয়ে ক্যালিগ্রাফির পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে বলে মত দিয়েছেন অনেকে। প্রতিযোগিতার বিচারকদের মধ্যেও লেখাটি আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ডাকসুর এই আয়োজন মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুন্দর হাতের লেখার চর্চা, ভাষার প্রতি যত্নশীলতা এবং সৃজনশীল উপস্থাপনার আগ্রহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে করা হয়। সেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের লেখা জমা দেন। তবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীর লেখাটি প্রকাশ্যে আসার পর সেটি যেন আলাদা করেই সবার নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই লিখছেন, “এটি শুধু হাতের লেখা নয়, যেন ছাপার অক্ষরও হার মানে।” কেউ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, “এমন লেখা এখন খুব কম দেখা যায়; এটি ধৈর্য, শৃঙ্খলা আর সৌন্দর্যবোধের অনন্য উদাহরণ।”
ডিজিটাল কিবোর্ডের ভিড়ে হাতে লেখার সৌন্দর্য যে এখনও মানুষের মন কাড়তে পারে, ডাকসুর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর লেখাটি যেন তারই উজ্জ্বল প্রমাণ হয়ে উঠেছে।
