হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম মার্কিন মধ্যস্থতায় তৈরি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে সরাসরি আত্মসমর্পণের সমতুল্য বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, লেবাননে ইসরায়েলি আক্রমণ থামানো না হলে উত্তর ইসরায়েলেও পাল্টা হামলা জারি থাকবে।
লেবানন সরকারকে তিনি ইসরায়েলের সাথে সরাসরি আলোচনার পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানান এবং দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার ও দখলদারিত্বের পূর্ণ অবসান না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ বন্ধ হবে না।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহ প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ নাকচ করেনি এবং যুদ্ধ থামানোর উপায় খুঁজতে তারা যোগাযোগ রেখে চলেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, লেবাননের কর্তৃপক্ষ এবং হিজবুল্লাহ — সব পক্ষের সাথেই আলোচনা সচল আছে বলে তিনি জানান এবং কূটনৈতিক অগ্রগতির আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এরই মধ্যে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় রকেট ও ড্রোন হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সেদিন লেবানন সীমান্তঘেঁষা শ্লোমি শহর সফরে গিয়েছিলেন। হামলা শুরুর মাত্র আধঘণ্টা আগে তিনি নিরাপদে ওই এলাকা ছেড়ে যান।
স্থানীয় নেতাদের সাথে বৈঠকে নেতানিয়াহু উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্থল ও আকাশপথে সামরিক অভিযান চলতেই থাকবে।
