নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে মুখোমুখি লড়াইয়ে পরিসংখ্যানের পাল্লা কিউইদের দিকে ঝুঁকে থাকলেও, ঘরের মাঠে আজ এক নতুন ইতিহাস লেখার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে দাপুটে জয়ের পর টাইগারদের লক্ষ্য এখন ২০ ওভারের ক্রিকেটে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করা।
পরিসংখ্যানের লড়াই: অতীত ও বর্তমান
২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ।
পরিসংখ্যানে কিউইরা স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে:
নিউজিল্যান্ডের জয়: ১৫ ম্যাচ
বাংলাদেশের জয়: ৪ ম্যাচ
ফলাফলহীন: ১ ম্যাচ
তবে অতীতের এই রেকর্ড এখন কেবলই সংখ্যা। বিশেষ করে এবারের সিরিজটি বাংলাদেশের মাটিতে হওয়ায় এবং নিউজিল্যান্ড তাদের মূল শক্তির চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে থাকায় টাইগারদের সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ওয়ানডেতে ২-১ ব্যবধানে জেতার পর টি-টোয়েন্টিতে ৩-০ ব্যবধানে জয় পাওয়া অসম্ভব কিছু নয়।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে রিয়াদ-মুস্তাফিজ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল বাংলাদেশের অভিজ্ঞ দুই তারকা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।
ব্যাটিং: বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে কিউইদের বিপক্ষে ১৪ ম্যাচে ১টি ফিফটিসহ সর্বোচ্চ ৩০৬ রান করেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোরারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন নিউজিল্যান্ডের ব্র্যান্ডন ম্যাকলাম (১২৩) এবং কলিন মনরো (১০১)। বাংলাদেশের হয়ে সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান (৭০)।
বোলিং: কিউইদের বিপক্ষে ১৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। তার সেরা বোলিং ফিগার ৫/২২। অন্যদিকে সফরকারীদের পক্ষে টিম সাউদি শিকার করেছেন ১৯ উইকেট।
ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন দেখালেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। টি-টোয়েন্টি সিরিজে টাইগাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক। ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আজ কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ৫ম জয় তুলে নিতে মরিয়া চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।
ভক্তদের প্রত্যাশা, পরিসংখ্যানের দেয়াল ভেঙে আজ মাঠ মাতাবেন সাকিব-শান্তরা। কিউইদের বিপক্ষে এই জয় কেবল একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস জোগানোর বড় মাধ্যম হবে।
