শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
Logo
×

ক্রিকেটার নাঈমকে ডিবি পরিচয়ে মারধর-হেনস্তার অভিযোগ

প্রথম সমাচার ডেস্ক ১৩ জুন ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসানকে ডিবি পরিচয়ে থানায় নিয়ে মারধর হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামে বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে তাকে প্রথমে ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে নাঈমকে আটক করে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছে। পরে খুলশী থানায় নেওয়ার পর দ্বিতীয় দফা হেনস্তা করা হয়। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাকে চিনতে পেরে ছেড়ে দেন বলে জানান ওসি।

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯২০১
শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে পুলিশি তৎপরতা ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে।

নাঈম হাসানের অভিযোগ, ‘আমি বিমানবন্দর থেকে সিএনজি নিয়ে লালখানবাজার মোড়ে নামি। নামার সঙ্গে সঙ্গেই কয়েকজন এসে চেক করার কথা বলে। আমি তাদের সহযোগিতা করছিলাম। কিন্তু তারা কোনো কথা না শুনে আমাকে ধাক্কা দেয় এবং সিএনজিটি আটকে রাখে’।

নাঈম আরও অভিযোগ করে বলেন, খুলশী থানায় নেওয়ার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। থানার ভেতরে আমাকে আবারও হেনস্তা করা হয়েছে। ওসির সামনেও আমাকে নাজেহাল করা হয়েছে। কিল, ঘুষি ও লাথি মারা হয়েছে। আমি তখন নিজে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দিই। এরপরও তারা গুরুত্ব দেয়নি।’

আমার সঙ্গে থাকা দুজন তখন তাদের আমার পরিচয় দেয়। কিন্তু তারা উল্টো বলে, ‘তুই আসামি, তুই চুপ থাক।’ এরপর আমাকে লাথি মেরে গাড়িতে তোলে এবং থানায় নিয়ে যায়।’ নাঈমের দাবি, একপর্যায়ে তার পরিচিতজন ও বিভিন্ন মহল থেকে থানার ওসির কাছে ফোন যেতে শুরু করে। তখন পুলিশ সদস্যরা ভুল বুঝতে পারেন। নাঈম বলেন, ‘যখন ওসির মোবাইলে বিভিন্নজন ফোন দেওয়া শুরু করে, তখন তিনি বলেন যে ভুল হয়ে গেছে। পরে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, একটি সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ডিউটিরত কর্মকর্তা এসআই শফিক নাঈম হাসানকে থানায় নিয়ে আসেন। এসআই শফিককে তথ্যটি দিয়েছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার।

তথ্য ছিল চোরাচালান সরবরাহ সংক্রান্ত। তবে আমাকে না জানিয়েই তারা এই পদক্ষেপ নেয়। থানায় আনার পর আমি তাকে চিনতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে নগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) থানায় আসেন। তিনি প্রাথমিক তদন্ত করে এসআই শফিকের ভুল হয়েছে বলে প্রমাণ পান। এরপর তাকে ক্লোজ করা হয়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয় দলের অফ স্পিনার নাঈম হাসান দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রিকেটে পরিচিত মুখ। জাতীয় দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত পারফর্ম করে আসছেন তিনি।

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...