আইপিএল ২০২৬ এর ফাইনালে গুজরাটকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা ২য় শিরোপা জিতলো রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ফাইনালে ৪২ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন ভিরাট কোহলি। টুর্নামেন্টে ১৬ ম্যাচ খেলে ১ সেঞ্চুরী ও ৫ ফিফটিতে ২৩৭.৩০ স্ট্রাইকরেটে সর্বোচ্চ ৭৭৬ রান করে সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী।
দীর্ঘ প্রায় ৩ মাসের আইপিএলে ব্যাটে বলে আলো ছড়িয়েছেন একাধিক ক্রিকেটার। তম্মধ্যে ব্যাট হাতে ১৬ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরী ও ৫ ফিফটিতে ৭৭৬ রান করেছেন টুর্নামেন্ট সেরা হন বৈভব সূর্যবংশী। ১৬ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরী ও ৬ ফিফটিতে ৭৩২ রান করেছেন শুভমান গিল। ১৭ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরী ও ৮ ফিফটিতে ৭২২ রান করেছেন সাই সুদর্শন। ১৬ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরী ও ৬ ফিফটিতে ৬৭৫ রান করেছেন ভিরাট কোহলী। ১৫ ম্যাচে ৬ ফিফটিতে ৬২৪ রান করেছেন হ্যানরিক ক্লাসেন। ইশান কিশান ১৫ ম্যাচে ৬ ফিফটিতে ৬০২ রান করেছেন।
ব্যাটারদের আইপিএলে বল হাতেও আলো ছড়িয়েছেন অনেকে। তবে সলিড ব্যাটিং ট্রাকের আইপিএল বোলারদের জন্য কঠিনই ছিলো। বল হাতে ১৭ ম্যাচে সর্বোচ্চ ২৯ উইকেট শিকার করেন কাগিসো রাবাদা। রাবাদা সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করলেও ইকোনোমি ছিলো ৯.৬৮। তবে দূর্দান্ত ছিলেন ভূবেনশ্বর কুমার, ১৬ ম্যাচে মাত্র ৭.৯৫ ইকোনোমিতে ২৮ উইকেট শিকার করেন তিনি। জোফরা আর্চার ১৬ ম্যাচে ২৫ উইকেট শিকার করেন। রশিদ খান ১৭ ম্যাচে ২১ ও আনশোল কামবোজ ১৫ ম্যাচে ২১ উইকেট শিকার করেন। ইশান মালিঙ্গা ১৫ ম্যাচে ২০ উইকেট শিকার করেন।
ব্যাটাররা যেখানে ১৫ সেঞ্চুরী করেছেন এবারের আইপিএলে, সেখানে একমাত্র বোলার হিসেবে ৫ উইকেট শিকার করেন মহসিন খান। আইপিএল বোলারদের জন্য এখন অনেক কঠিন, তা বুঝার জন্য শতক ও ৫ উইকেটের তফাৎ দেখাই যথেষ্ট।
