দেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে কোটাপদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত ওই নিয়োগ পরীক্ষার ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল বাতিল করে মেধাক্রম অনুযায়ী নতুন করে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই মামলায় দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসা ১৫১ জন রিট আবেদনকারীর বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে তাদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কোটাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এই মামলার সূত্রপাত হয়েছিল। বিচারপতিরা বিস্তারিত পর্যালোচনার পর মেধার ভিত্তিতে নতুন তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হন।
এই রায়ের ফলে পুরনো ফলাফল কার্যকারিতা হারাবে এবং কর্তৃপক্ষকে নতুন করে মেধাতালিকা প্রণয়ন করতে হবে, যার প্রভাব পড়বে প্রায় ৪৬ হাজার প্রার্থীর ভবিষ্যতের ওপর।
শিক্ষা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বছরের পর বছর ধরে ঝুলে থাকা এই মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও প্রত্যাশা দুটোই বেড়েছে।
