জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র থামিন আল-খিতান বলেন, “আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজার দিকে যাওয়া নিরস্ত্র বেসামরিক জাহাজ আটকানো—এটি প্রথমবার নয়।”
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী খোলা সমুদ্রে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রয়েছে এবং খুব সীমিত কিছু পরিস্থিতি ছাড়া বিদেশি বেসামরিক জাহাজ আটকানো যায় না।
তিনি ইসরায়েলকে আহ্বান জানান, আটক ব্যক্তিদের প্রতি আচরণ, বলপ্রয়োগ এবং আটকাবস্থার শর্ত যেন আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার—যেমন আটক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ—নিশ্চিত করা হয়।
তিনি ইসরায়েলকে “অবিলম্বে গাজার অবরোধ তুলে নেওয়া এবং জীবনরক্ষাকারী সহায়তা প্রবেশে সব উপায় ব্যবহার করার” আহ্বান জানান।
এই সপ্তাহে ইসরায়েলি নৌবাহিনী গ্লোবাল সামুদ ফ্লোটিলার ২০টিরও বেশি নৌকা জব্দ করে এবং তাতে থাকা কিছু কর্মীকে আটক করে। ৫০টিরও বেশি জাহাজের এই বহরটি আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে গাজার দিকে যাচ্ছিল।
এই অভিযানটি ক্রিট দ্বীপের কাছে ঘটে, যা ইসরায়েল থেকে শত শত নটিক্যাল মাইল দূরে।
ইসরায়েল ২০০৭ সাল থেকে গাজা ট্রিপে কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে, যার ফলে প্রায় ২৪ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং অঞ্চলটির অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে।
গত অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও, গাজার মানবিক পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ রয়ে গেছে।
সূত্র: আনাদলু
